চাটমোহর

সেফট্রিক ট্যাংকে পরে নিহত ফরিদের পরিবারের পাশে দাড়ালো অতিরিক্ত ডিআইজি মোজাম্মেল হক

আহসান হাবিব আলিফ

“সেফট্রিক ট্যাংকে পরে নিহত ফরিদের পরিবারের পাশে দাড়ালো অতিরিক্ত ডিআইজি মোজাম্মেল হক”

কেমন আছে সেপট্রিক ট্যাংকে পরে মৃত “নির্মাণ শ্রমিক” ফরিদের পরিবার??

এই শিরোনামে গত জুলাই এর ১ তারিখে “চেতনায় চাটমোহর” গ্রুপে পোস্ট হয়।অবশেষে ফরিদের পরিবারের পাশে দাড়াল চাটমোহর এর কৃতি সন্তান অতিরিক্ত ডিআইজি মোজাম্মেল হক।

ফরিদের মৃত্যুর পর ফরিদের পরিবারের একমাত্র উপার্জন ক্ষম বক্তিত্ব ছিল তার বাবা।অতপর ফরিদের বাবা পল্লীবিদ্যুত এর ঠিকাদার এর অধীনে “লাইন মেন” এর কাজ করতে গিয়ে হারায় তার দুটি হাত।

কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে আজ এই অসহায় পরিবারটির দিন যাচ্ছিল অর্ধাহারে-অনাহারে। ফরিদের বাবার পঙ্গুত্বের চিকিৎসা তো দূরে থাক দুবেলা দুমুঠো ভাতের জোগান দেওয়াই এখন হয়ে উঠেছিল কষ্টকর। পরিবারে নেই কোন উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। এক ছেলে সেও বছর খানেক আগে মারা যায়, মেয়েটির বিয়ে হয়েছে অনেক আগে।

এই পরিহাস দেখে মোজাম্মেল হক স্যার নগদ ৪ হাজার টাকা এবং ৬ হাজার টাকার নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র এবং ঈদের পোশাক তার প্রতিনিধির মাধ্যমে ফরিদের পরিবার এর মাঝে তুলে দেয়।

এ সময় চাটমোহর মুক্তিযোদ্ধা মোয়াজউদ্দিনের সুযোগ্য সন্তান প্রকৌশলী আব্দুস সামাদ, চাটমোহর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক কিংসুক সাহা, “দৈনিক বড়াল “পত্রিকার সম্পাদক হেলালুর রহমান জুয়েল,সাংবাদিক শাহীন রহমান, সাংবাদিক মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, পৌর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ ইদ্দিস আলী, মুকুল হোসেন উপস্তিত থেকে উপহার সামগ্রী তুলে দেন।

ধন্যবাদ জানাই মোজাম্মেল হক স্যার কে অসহায় ফরিদের পরিবারের পাশে দাড়ানোর জন্য।

আরও আমার চাটমোহরের বৃত্তবানদের প্রতি অনুরোধ থাকবে, আপনারা নিজ নিজ অবস্থান থেকে সহায় সম্বলহীন অসহায় এই পরিবারটির পাশে দাঁড়াবেন।

সম্পূর্ণ লেখাটি পড়ুন

এই ধরনের সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close