অন্যান্যকরোনাভাইরাসপাবনাসাঁথিয়া

সাঁথিয়ায় এক যুবকের আত্নহত্যা

করোনার যতো চাপ বাড়ছে তত কমে যাচ্ছে মানুষের কাজ।মানুষ ধীরে ধীরে হয়ে পড়ছেন কর্মহীন।এবং এই কর্মহীনতা থেকে সৃষ্টি হচ্ছে হতাশা।

আজ (১৮ জুন) পাবনা জেলার সাঁথিয়া উপজেলায় আতাইকুলা থানার বামনডাঙ্গা গ্রামের এক যুবক আত্নহত্যা করেন।যুবকটি হতশার ফলে নিজ ঘরে ওড়ানা পেচিয়ে ফাসি নিয়ে আত্নহত্যা করেন।যুবকটির নাম এনামুল হক সুইট।তিনি উক্ত গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য আতাউর রহমানের ছেলে।জানা যায়,তিনি পাবনা সরকারি এ্যাডওয়ার্ড কলেজ থেকে ইংরেজিতে অনার্স ও মাস্টার শেষ করেন। আরো জানা যায়, সে নিজ এলাকার একটি বিদ্যালয়ে খণ্ডকালীন শিক্ষকতা করেন। তবে সংসারের খরচ বাড়লে সে তার স্ত্রীসহ ঢাকায় চলে যান এবং সেখানে একটি হাসপাতালে সেবিকা হিসেবে চাকরিতে যোগদান করেন তবে করোনা সময়ে তার চাকরি না থাকায় সে বাড়িতে চলে আসেন এবং সেখানে তার বাবা-মায়ের সাথে ভালো সময় যাচ্ছিলো না।তার স্ত্রী পাবনার এক হাসপাতালে সেবিকা হিসাবে চাকরি নিলেও সে বেতন দিয়ে তাদের সংসার চলছিল না তাই তিনি হতাশায় ভুগতেন। তিনি মাঝে মাঝেই ফেসবুকে হতাশার স্ট্যাটাস দিতেন।তিনি একটি পোস্টে লেখেন যদি আমি হারিয়ে যাই দূরের দেশে, নাম না জানা পথের শেষে, খুব বেশি সময় নিবে আমাকে ভুলে যেতে?জানি ভুলে যাবে অচেনা ভেবে।তিনি আরেকটি স্ট্যাটাসে বলেন, আমরা প্রতিদিন কোনো না কোনো লক্ষ্যের পিছনে ছুটছি আর সেউ লক্ষ্য পূরনের কিছু আগেই জীবন আমাদের ছুটি দিয়ে দিচ্ছে।

এলাকাবাসীর ধারণা, কর্মহীন হয়ে যাওয়ার জন্য এনামুল এমন কাজটি করেছেন।

আতাইকুলা থানার এস আই সুভাশ চন্দ্র জানান,লাশ উদ্ধার করা হয়েছে এবং মর্গে পাঠানো হয় ময়না তদন্তের জন্য। ময়না তদন্তের রিপোর্ট পেলেই যথাযথ ব্যাবস্থা নিবো আমরা।

সম্পূর্ণ লেখাটি পড়ুন

এই ধরনের সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close