আটঘরিয়াঈশ্বরদীকরোনাভাইরাসচাটমোহরপাবনাপাবনা সদরফরিদপুরবেঁড়াভাঙ্গুড়াসাঁথিয়াসুজানগর

পাবনার ৯ উপজেলাকে “করোনা” তিন জোনে বিভক্ত

সারাবিশ্ব আজ হিমসিম খাচ্ছে “করোনা” ভাইরাস প্রতিরোধ করতে।তাই বিভিন্ন দেশে করা হয়েছিল লক ডাউন আবার লক ডাউন তুলেও নেওয়া হয়েছে কিছু দেশে।আমাদের দেশেও লক ডাউন করা হয়েছিল কিন্তু অর্থনৈতিক সংকট মুক্তির জন্য তুলে নেওয়া হয় লক ডাউন। এরপর সরকার নতুন পদ্ধতিতে নিয়ে আসে লক ডাউন।

সরকার এলাকা ভিত্তিক “করোনা” আক্রান্তের ধরণ ও প্রকৃতি দেখে এলাকা ভিত্তিক লক ডাউনের সিদ্ধান্ত নেওয়া গ্রহণ করেন। এখানে লক ডাউন এলাকাকে তিনটি জোনে বিভক্ত করা হয়।রেড জোন, ইয়োলো জোন, গ্রিন জোন বা লাল,হলুদ,সবুজ তিন জোনের ব্যাবস্থা করা হয়।

আজ (১৬জুন) পাবনার “করোনা” আক্রান্তের কথা বিবেচনা করে পাবনার ৯ টি এলাকাকে যথাক্রমে রেড,ইয়োলো,গ্রিন জোনে বিভক্ত করা হয়। পাবনা সদর ও সুজানগর উপজেলায় রেড জোন অর্থাৎ সেখানে পুরোপুরি কড়াকড়ি লক ডাউন মানা হবে এবং কেউ সে এলাকা থেকে বাহিরে যেতে পারবেন না আর কেউ সেই এলাকাতে ডুকতেও পারবেন না। আর ঈশ্বরদী,আটঘরিয়া এবং ভাঙ্গুড়া উপজেলাকে ইয়োলো জোন অর্থাৎ এই এলাকা সীমিত আকারে লক ডাউন। এই এলাকার মানুষ বিশেষ দরকার ছাড়া বাহির হতে পারবেন না এবং অন্য কেউ ঐ এলাকায় বিশেষ দরকার ছাড়া প্রবেশ করতে পারবেন না।আর বেড়া,সাঁথিয়া,চাটমোহর ও ফরিদপুর উপজেলাকে গ্রিন জোন অর্থাৎ এই এলাকাগুলোকে পুরোপুরি সেফ বলে বোঝানো হয় তবে এই এলাকাগুলোতে সাবধানতার সাথে চলাফেরা করতে হবে এবং বিশেষ কাজ ছাড়া বাসায় থাকতে হবে এবং সকল স্বাস্থ্যসেবা মেনে চলতে হবে। বর্তমানে পাবনা জেলায় “করোনা” রোগীর সংখ্যা ১৯৮ জন।

সূত্রঃ পাবনা সিভিল সার্জন ডাঃ মেহেদী ইকবাল

সম্পূর্ণ লেখাটি পড়ুন

এই ধরনের সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close